ফের বর্ধমান হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ

আমার কথা, বর্ধমান, ১১অক্টোবরঃ
চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগে মৃতদেহ আটকে প্রায় আড়াই ঘন্টা বিক্ষোভ দেখাল রোগীর পরিবার। তাদের অভিযোগ রোগীর শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। জরুরী বিভাগে না রেখে রোগীকে বহির্বিভাগে পাঠিয়ে দেন চিকিৎসক আর বহির্বিভাগে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় রোগীর।
জানা গেছে, বর্ধমান শহরের দুবরাজদীঘির মালির বাগানের বাসিন্দা সেখ আব্দুল আজিম(৬২) বুকে ব্যাথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে প্রথমে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে যান। তিনি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। আজ সকাল ১০টা নাগাদ তাকে বর্ধমান মেডিক্যাল হাসপাতালের বিএমসিএইচে জরুরী বিভাগে আসা হয়। অথচ হাসপাতালে সেই সময় চিকিৎসক রোগীকে না দেখেই বহির্বিভাগে স্থানান্তর করে দেন বলে অভিযোগ। বারবার অনুরোধ করেও কোনো লাভ হয়নি। এরপর বহির্বিভাগে নিয়ে যাওয়ার পথেই রোগীর মৃত্যু হয় বলে পরিবারের তরফে জানানো হয়। হাসপাতালের পক্ষে জানানো হয় যে, রোগীকে আশঙ্কাজনক অবস্থাতেই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে আসার কিছুক্ষণের মধ্যেই রোগীর মৃত্যু হয়। বহির্বিভাগে রোগীকে দেখে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করার সাথে সাথেই রোগীর পরিবার ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা জরুরী বিভাগের চিকিৎসকের শাস্তির দাবি জানাতে থাকেন। সুপারের ঘরের সামনেও তাঁরা বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বর্ধমান থানার পুলিশ।

ডেপুটি সুপার অমিতাভ শাহ মৃতের পরিবারের সাথে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ দেখানো বন্ধ হয়। ডেপুটি সুপার জানান, জরুরী বিভাগের রোগীকে কেন বহির্বিভাগে স্থানান্তরিত করা হল তার কারন চিকিৎসকের কাছে জানতে চাওয়া হবে। এর জন্যে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।